জুলাইতে গিয়েছিলাম, চারদিকে থই থই পানি। হাউসবোট থেকে নেমে ওয়াচ টাওয়ার, শিমুল বাগান ঘুরেছি। বৃষ্টিতে হাওরের রূপ অন্য লেভেলের। ছাদে বসে বৃষ্টি দেখা আর গরম খিচুড়ি—আহা! নীলাদ্রি লেকে পরন্ত বিকেল মন ছুঁয়ে যায়।
হাওরের তাজা মাছ, হাঁসের মাংস, আর ঘন ডাল—প্রতি বেলায় মনে হচ্ছিল দাদুবাড়ি খাচ্ছি। সকালে খিচুড়ি + ভর্তা, দুপুরে বোয়াল মাছ, রাতে হাঁস বারবিকিউ। বাবুর্চি ভাইয়ের হাতের রান্না সেরা। শুধু খাওয়ার জন্যও আবার যেতে চাই।
প্রাইভেট কেবিন, কেবিনের জানালা দিয়ে হাওর দেখা যায়—ভোরে ঘুম ভাঙে পাখির ডাকে। সন্ধ্যায় ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের ব্যবস্থাও করে দিয়েছিল। পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন এটাস্ট ওয়াশরুম ছিল। নিরিবিলি সময় কাটাতে চাইলে বেস্ট অপশন।
হাওরের বুকে ভাসতে ভাসতে রাত কাটানোর অভিজ্ঞতা এক কথায় অসাধারণ। হাউসবোটের ছাদে বসে পূর্ণিমার চাঁদ আর পানির শব্দ—মনে হচ্ছিল সব ক্লান্তি ধুয়ে গেছে। স্টাফরা খুবই আন্তরিক, খাবারও ঘরোয়া আর ফ্রেশ। টাঙ্গুয়ার দেখার জন্য হাউসবোটের বিকল্প নেই।